Skip navigation

Category Archives: Archived Posts

It was back in January 2009. Me and My family was having a very bad time. Bad time because we were losing some familiar faces. We got about 15 different death news in closest possible time. With a tensed mind I wrote this Blog. As I was an active blogger in Prothom-aloblog, I posted it there. Luckily we didn’t get any death news in another 6/7 months. I totally forgot about this post. But recent incidents like Building collapse at Begunbari and Fire ar Puran dhaka remind me of this post.  The post is given as it was first posted except little update for re-posting it here).

“Few days back I got almost 15 death news. All of them was from my and friends’ family. All news was coming right one after one. It made me feel horrible. I was thinking who will be the next person going to die? But it also made me wonder if death is really the end of life?

Generally if you see, you will find that death is the end of life. Yeah that’s a great true. But in some case it’s not true. I guess my words are becoming contradictory. But as I’m trying to find the true meaning of death, I have consider both. Well, Islam says that you will be given life once again in justice day. You will be punished or rewarded according to performance in this world. Islam also says that you will have an immortal life after you die. That means you will not die anymore. So you can see that after death you will be alive once again and will have an immortal life.

Again you will see that Hindu religion says, after your death you will be sent  back to this world once again. If you work for good in your first life, second time your life will be much more smooth. But if do wrong in first life, you will led a miserable life in second one. So you can see it also tries to show that death is not an end to life.

If picture is the only way to capture time than I’ll say death is the only way to capture your age. You see when a person dies, everyone remembers him exactly at the age when he died. Others grow older but he remains at his death age. I think you all know about Peter Pan. Peter was a real person though it wasn’t his actual name. After many years of his death, his brother or someone from his family found out that Peter is living in there mind and not  growing older. He is living at the age he died. Than he created the character Peter Pan who never grew older and live in everyone’s mind.

So if people remember you after death you will be not only immortal but also in constant age. But if they don’t remember you, you will be history. But still it doesn’t mean that it has come to an end. You will survive in a history that will be looked by none. Only problem is that you will grow older and nobody will remember you.

If you see you will find that people believes that when a person dies, he become a ghost or a shinning star in sky. They keep coming again and again to this world. Again death is not an end.

Now I believe that death is not an end to life. It’s just a transformation process. Transformation to a greater life. It’s beginning to a new life; a life that will never end. But question arises, “why people fears death?”

Well, not everyone fears death. They take it as certain part of life.  They are heroes and they are ready to sacrifice their life for others.  Then why others fear death? It’s because people always fear that what is unknown. You  will see nobody exactly knows what will happen after death (not in spiritual scene. every religion tells you about afterlife).

No living organism have the experience of death before dying . When you will get the experience, you can’t tell others. According to my thought, people fears death as the experience of death is still a mystery.”

So what is death? end or beginning of another life? well, the answer depends how you see it. If you are thinking spiritually & philosophically, then there is no end of life. Death is a transformation process to a new & immortal life.  But if you are thinking realistically, then death is the end of life. But it is also a transformation process. After your death when you will be buried, you will be transformed into soil.

Still feeling sorry for the people died in the fire at Puran Dhaka and the people who are alive with burned body. Govt. said approx 120 people died. But according to local people, the number of people died is close to 200

(source : Bashir Hussain, Faculty, school of business, North South University). May Allah  place their departed soul in Haven. Amen

When I was an active blogger in, I wrote this post. I was having a hard time for my family and elder relatives. I started to think why any elder person can’t understand me. I understood that it’s due to generation gap. So I started to think why this generation gap exists and how to solve it. And this is how I ended up writing this blog. It was first published on . It is one of my high-level thinking post.  Why should I put such post in other blog when I have my own blog? So I’m re-posting it here.

Blog is written in Bangla…You can use Google translator to read it in your language.

জেনারেশন গ্যাপ বা প্রজন্ম ব্যবধান বর্তমান সময়ের একটি জটিলতম সমস্যা। আগের প্রজন্মের সাথে পরের প্রজন্মের সবসময়ই একটা ব্যবধান ছিল। দুই প্রজন্ম সম্পুর্নভাবে আলাদা মনোভাব পোষন করে। আগের প্রজন্ম মনে করে নতুন প্রজন্মকে উশৃঙ্খল, অবাধ্য, আপচয়কারী এবং আদব-কায়দাহীন মনে করে। অন্যদিকে নতুন প্রজন্ম পুরাতন প্রজন্মকে সেকেলে ও আধুনিকতা বিবর্জিত মনে করে। আমরা সবাই জানি এক প্রজন্ম থেকেই আরেক প্রজন্মের উৎপত্তি হয়। পুরোনো প্রজন্ম সমাজের ভিত গড়ে দেয় আর নতুন প্রজন্ম তার উন্নয়ন করে। তাহলে এই দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি হল কেন? আসুন দেখি এর সম্ভাব্য কারনগুলো দেখে আসি।

১. মানসিকতা :
পুরোনো প্রজন্ম ও নতুন প্রজন্মের মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। আগের প্রজন্ম সব কিছু নিজেদের পর্যবেক্ষন ও আভিঙ্গতা দিয়ে যাচাই করে। কোন কাজ করার আগে প্রচুর চিন্তা-ভাবনা করতে হয় তাদের। কোন কারনে ব্যর্থ হলে তারা নিরাশ হয়ে পরে। ব্যর্থতার কারন খুঁজে পেতে চায় না। অন্যদিকে নতুন প্রজন্ম সব সময়ই তদের চারপাশ ও নিজস্ব পর্যবেক্ষনের উপর বিশ্বাসী। নিজেদের উপর বিশ্বাস ও আশপাশের অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নেয় তারা। তবে অভিঙ্গতা কম বলে প্রায়ই ব্যর্থ হয়। তবে তারা এই ব্যর্থতাকে সব সময়ই চ্যালেন্জ হিসেবে নেয়।

২. প্রযুক্তিগত বাধা :
প্রযুক্তিগত বাধা প্রজন্ম ব্যবধানের একটি মূল কারন। প্রতিনিয়তই প্রযুক্তির পরিবর্তন ঘটছে। আগের প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটছে অথবা নতুন কোন প্রযুক্তির সূচনা হচ্ছে। পুরোনোরা এইসব প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না। তারা যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভ্যস্ত তারা সে প্রযুক্তি নিয়ে থাকতে চান। “বৃদ্ধ বয়সে আর নতুন প্রযুক্তি শিখে লাভ কি?” বা “আমরা তো এইসব প্রযুক্তি ছাড়াই বড় হয়েছি। তাহলে এগুলোর আর দরকার কি? ” এইরকম মনোভাব কম-বেশি সব বড়দের মধ্যেই থাকে। কিন্তু প্রযুক্তি ছাড়া বর্তমান সময়ে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব। নতুন প্রজন্ম তাই প্রযুক্তির দিকে ভালোভাবেই ঝুকে পরেছে। পুরোনোকে বাদ দিয়ে নতুন প্রযুক্তিকে খুব দ্রুত গ্রহন করছে।

৩. নতুন কে গ্রহন করে নিতে না পারা:
পুরোনো প্রজন্ম নতুনকে সহজভাবে গ্রহন করে নিতে চায় না। নতুন নিয়ম বা পরিবর্তন প্রত্যাখ্যান করার একটা মানসিকতা কাজ করে। নতুন প্রজন্ম সমাজের কোন পরিবর্তন করতে চাইলে বড়রা তা সহজে মেনে নিতে পারে না।

৪. যোগাযোহীনতা:
প্রজন্ম ব্যবধানের অন্যতম মূল কারন দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগহীনতা। বড়দের পক্ষে সব সময় ছোটদের খবর রাখা সম্ভব হয় না। আবার ছোটরাও সব কথা বড়দের বলতে সাহস পায় না। বড়রা যত আপনই হোক না কেন কিছু কথা শুধু সমবয়সীদের সাথে শেয়ার করে থাকে। বড়দের সাথে শেয়ার করে না করন তারা বড়দের সাথে তেমন ফ্রী না। আরেকটা কারন হচ্ছে ছোটদের ধারনা থাকে তাদের কথা বড়রা শুনবে না। এভাবেই দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগ কমে যায়।

৫. ভুল বোঝাবুঝি :
নতুন প্রজন্মের মধ্যে আত্মবিশ্বাস একটু বেশিই থাকে। আর এ আত্মবিশ্বাসে জোরে তারা অনেক কিছুই করে ফেলতে চায়। সেটা ভালো কি মন্দ তা খুব একটা বিচার করে না। আগের প্রজন্ম বাঁধা দিলে “তারা নতুনত্ব সম্পর্কে কিছুই জানে না” এমন একটা মনোভাব নতুনদের মধ্যে কাজ করে। আবার আগের প্রজন্মের মধ্যে “এইসব ছেলেপেলে দুনিয়া সম্পর্কে আর কিই জানে ?” ধরনের মনোভাব কাজ করে। দু-পক্ষের এই ভুল বোঝাবুঝি প্রজন্ম ব্যবধানের একটি কারন।

প্রজন্ম ব্যবধান কমানোর সম্ভাব্য সমাধানগুলো হতে পারে :

১. দুই প্রজন্মের মানসিকতা পরিবর্তন করা :
নিজেদের মানসিকতা পরিবর্তন না করলে প্রজন্ম ব্যবধান কমানো সম্ভবপর হবে না। নতুন প্রজন্মের উচিত আগের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করা আর পুরাতন প্রজন্মের উচিত নতুন প্রজন্মকে বুঝতে শেখা এবং তাদের সঠিক পথ দেখানো।

২. এক প্রজন্মের সাথে অন্য প্রজন্মের ভুল বোঝাবুঝি এর আবসান ঘটানো :
নিজেদের মধ্যে ভূল ধারনা থাকলে ভুল বোঝাবুঝি হওয়া স্বাভাবিক। এই ভূল ধারনা দুর করতে পারলে আর ভুল বোঝাবুঝি হবে না। এতে দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যাবধান কমে আসবে।

৩. দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগহীনতা কমিয়ে আনা:
দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগহীনতা কমাতে না পারলে প্রজন্ম ব্যাবধান কমানো অসম্ভব। নিজেদের সমস্যা সম্পর্কে আলাপ আলোচনা করলে দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো যাবে। সন্তানরা যদি বাবা-মার সাথে ফ্রী থাকে তাহলে প্রজন্ম ব্যাবধান হ্রাস পাবে।

৪. বর্তমানের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শেখা :
পুরাতন প্রজন্মের উচিত বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টা করা। যদিও এটা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য তবুও প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা থাকা দরকার।

সবশেষে প্রজন্ম ব্যবধান নিয়ে একটি গল্প :
প্রজন্ম ব্যাবধান নিয়ে বিতর্ক করার জন্য নতুন ও পুরাতন দুই প্রজন্মের দুটি দলকে ডাকা হল। বিতর্ক শুরু হল। বিতর্কের এক পর্যায়ে নতুন প্রজন্মের একজন বলল ” পুরাতান প্রজন্ম নতুন প্রজন্মকে বুঝতে পারে না। কারন তারা এক সময়ে বড় হয়েছে আর আমরা এক সময়ে বড় হয়েছি। নতুন প্রজন্ম বড় হচ্ছে টেলিভিশন দেখে, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটে ব্যবহার করে। প্লেনে করে দেশ-বিদেশ পাড়ি দিচ্ছে। এমনকি রকেটে করে মহাকাশেও যাচ্ছে। অথচ পুরাতন প্রজন্ম এসবের কিছুই দেখে নি। তাই তাদের পক্ষে নতুন প্রজন্মকে বোঝা কষ্টকর। কিছুক্ষন চুপ থেকে পুরাতন প্রজন্মের একজন বলল ” তোমরা বড় হচ্ছ টেলিভিশন দেখে, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে, দেশ-বিদেশ ঘোরার জন্য প্লেন পাচ্ছ, রকেট পাচ্ছ মহাকাশে যাওয়ার জন্য। এটা সত্য কথা যে আমরা এসবের কিছুই পাই নি। আমাদের সময়ে এগুলো ছিল না বলেই আমরা এগুলো আবিষ্কার করেছি যাতে তোমরা এগুলোর সুবিধা ভোগ করতে পার। আজ তোমরা যা নিয়ে গর্ব করছ তাতো আমাদেরই তৈরী করা। আমরা তোমাদের জন্য এগুলো তৈরী করেছি, তোমরা তোমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কি করেছ? ” নতুন প্রজন্মের কেউ কোন উত্তর দেয় নি।

বি.দ্র.: এই পোষ্ট টির যাবতীয় অংশ (গল্প বাদে ) লেখকের নিজস্ব মতামত। একমত হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্নই নিজের ব্যাপার


My break started after my final exam of last semester. in the beginning of the semester i went to visit  Sylhet  with my 6 other friends.  For the first time we friends gone to a tour. we all were too much excited.  we couldn’t sleep tour nights due to excitement. but yet we slept 😛 . The tour was really great. we returned from the tour, started on 31st December,2009, on 4th January,2010 night. days passed by as we remembered the tour.  But after boring time started. I had nothing to do. no study, to assignment or quiz, no project. i was like a bird who doesn’t know where to fly. so I started to stay awake till late night and woke up at noon. my parents become angry with me but i found it is a great way to pass boring time. i was some good movies but later on i lost interest.  i had no interest on Facebook.  So i started working blog and website and created this blog.  but now my break is almost finished. only two more days remaining. than a new and my 7th semester will start with painful advising. i pretty much tensed about advising because i’m sure i’ll not get my desired courses and faculty. for sure i have to stand in painful re-advising line.  my previous semester wasn’t up to the expectation. so i have to work hard this semester.  i’m making some plan to do well in this semester. now i need God’s blessings and help. may Allah help me.

When you are in a break, you feel bored. And the break is almost finished, you want some more free days.  It’s a really interesting fact.  Yeah this is what I’m feeling right now.

Till yesterday, I was really looking forward to the classes to begin. But this morning when I woke up at 10 o’ clock, I figured out that  from tomorrow I have got up early in the morning. Because Classes will start from tomorrow and my classes are from 9:40 in the morning.  So to be in the class right on time, i have to leave home before 8 o’ clock. And for the  preparation I’ll need an hour.  That means I have to get up by 6:30 am.  And this will continue for next 4 months.

So this is the reason I’m little bit disappointed. I love my morning sleep. And now I have to sacrifice my morning sleep for some classes. 😦

but I’m excited too. Some thing tells me that this semester will be rocking. I’ll enjoy the semester.  reason for this feeling can be for some friends who are taking courses with me. I’ll be in the same class with  Sazid, Mobasha, AZ, Abid & Turza. This is so exciting.

So another semester begins from tomorrow. I’ve to prepare myself for this semester. how? he he he….its too easy. All  I’ve to do is  sleep whole today.

I always like rain! From the childhood I’m in love with rain. Whenever I had chance I use to get wet in rain. But when I moved to Dhaka, i had very limited time to get wet in rain water. Yesterday I had got another chance after long time. Though it was totally unwanted.

Last evening i was having fun with my friends. Suddenly I noticed lighting in the sky. I understood that Kal Boishakhi storm ( storm that’s comes during Bangla month Boishakh). So I hurried to my home. But i couldn’t go much far when the rain started.  I was in rickshaw but still I got wet. though I was loving the rain but suddenly I remembered I had my mobile phones and Debit card. It will be a problem it those get wet.  Then I thought it would be better if i wait in a shop till the rain stops. Forgot to mention that Abid & Yamin was with me. All three went to a shop for waiting. From the shop we was watching wonderful dancing of Rain & wind. I was liking the show but wind was too strong and with our wet cloths we were feeling too much cold. After few minute, rain showed stopping tendency.  So felt I should go home. So I hired a rickshaw and said goodbye to my friends. And after few minutes I was in home. I felt excitement because I got wet in rain after long time.

%d bloggers like this: