Skip navigation

Tag Archives: Blog

It has been 25 months since I have created this blog site. During this 25 months, i made lots of changes in the blog site. I changed templates and administrative settings. i tried to make the site look interesting. However it has been a long time since I updated my site. So today I made an update to my blog site.

Previously my blog site had only 4 tabs for home page, daily blogs, about author and guest book.  In the home page there were a welcome note which is not moved to welcome note tab. All my blog posts used to be shown in ‘Daily blogs” tab. Now blog posts are displayed in the home page. Daily blogs tab has been removed. Rest two tab About author and guest book is kept the same. However i added 3 categories of blogs in the tab panel. Also i provided a link to my other blog site where I post my poems. Rest of the template layout and settings is kept unchanged.

i have become irregular in the posting blogs. That’s why I couldn’t figure out that an update was necessary.From now on, i will try to post blogs regularly. Also I will try to make the blog more interesting.





I am not much of a reader. I like to write but I don’t like to read. Sometime I don’t read what I wrote earlier. But I couldn’t help myself reading this blog named the simple country life. I was wondering around in freshly released to get some topic to write about and ended up reading that blog. I liked its theme and way it organized. I like the concept of ‘county man’ and ‘country man’s wife’ part. There are lots of picture about country life and its beauty. I recommend you to visit the blog. This blog showed me the I life wanted.

This blog made me nostalgic. It reminded me about country life I used to lead. I lived first 12 years of my life in my native village. And thanks to that, I experienced & learned lots of thing about country life. I learned about farming, raising cattle, and making own garden. I could go fishing whenever I wanted. It was easy and peaceful life.

Time has changed. Now I live in a concrete jungle instead of a natural one. I miss my old days. But after getting habituated with city life, it might be hard for me to get along with country life. A trip of one or two weeks might seem interesting but more than that will not be interesting anymore.

Today is the first anniversary of this blog site. Though I am blogging for almost 3.5 years , it has been only a year since I have created this site. I had one other blog before this site. But for some reason WordPress suspended that site. But I started over blogging with this site. I’m feeling really great. I want to share few facts and statistics of last one year.

Date of the site Creation: July 1,2010.

First Blog published on: July 2, 2010

Name of the First Blog: Restarted!

Most Blog in one month: July, 2010 (11 without republished blogs).

Total Number of Category: 8

Total Visitor (last one month): 2120

Highest visitor in one month: 374 ( May, 2011)

Highest visitor in one week: 261 (15th week, 2011)

Highest visitor in one day: 135 (April 15, 2011)

Total number of post : 85

Number of mobile posts: 4

Total number of tags: 472

Total number of comments: 53

Highest number of referrals: 219 (Facebook)

Hottest search term (through search engines): kal boishakhi (24 hits)

Most visited post: Happy Bangla New Year 1418 ! (শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪১৮!) (124 hits)

Most visited page: Home page (682 hits)

I don’t know whether these stats & numbers are impressive or not but I’m impressed. Last one year I got some positive feedback about my blog site & posts. It greatly reinforced me to keep blogging. I’m thankful to my friends who greatly supported & motivated me through their comments or verbal appreciations.  Even though I didn’t write a single post in last month but I hope to write regularly from now on. Please pray for me that I can keep blogging.

Please stay in touch and keep commenting…..Thank You!

Happy Birthday to Mobashra

Happy Birthday to Mobashra!

It was summer 2008 when I first saw you in MKT202 class. Again in fall, I saw you in ECO134 class. We did classes for 8 months and yet we hardly talked.

In spring 2009 i joined NSU YES!. In the orientation program i saw you again. I found you in facebook from club’s group. I added you and started to communicate on regular basis.

It didn’t take much time before we started chatting in messenger. And that is when we became friends. As days went by, our friendship grew stronger. Since then we did many things together. We share so many memories.

You were and are always helpful to me. Till the last day at university, you helped me. You pushed me to where I’m right now. I’m grateful to have you as my friend. Soon you will graduate and start a whole different life. I know you will do just fine. And I wish you good luck.

And for today on you birthday, I wish you a very delightful, enjoyable and memorable birthday. Happy birthday Mobashra! Happy birthday to you, my friend.

Thanks for the party invitation. I will not miss it for my life. See you in few hours. He he he….


When I was an active blogger in, I wrote this post. I was having a hard time for my family and elder relatives. I started to think why any elder person can’t understand me. I understood that it’s due to generation gap. So I started to think why this generation gap exists and how to solve it. And this is how I ended up writing this blog. It was first published on . It is one of my high-level thinking post.  Why should I put such post in other blog when I have my own blog? So I’m re-posting it here.

Blog is written in Bangla…You can use Google translator to read it in your language.

জেনারেশন গ্যাপ বা প্রজন্ম ব্যবধান বর্তমান সময়ের একটি জটিলতম সমস্যা। আগের প্রজন্মের সাথে পরের প্রজন্মের সবসময়ই একটা ব্যবধান ছিল। দুই প্রজন্ম সম্পুর্নভাবে আলাদা মনোভাব পোষন করে। আগের প্রজন্ম মনে করে নতুন প্রজন্মকে উশৃঙ্খল, অবাধ্য, আপচয়কারী এবং আদব-কায়দাহীন মনে করে। অন্যদিকে নতুন প্রজন্ম পুরাতন প্রজন্মকে সেকেলে ও আধুনিকতা বিবর্জিত মনে করে। আমরা সবাই জানি এক প্রজন্ম থেকেই আরেক প্রজন্মের উৎপত্তি হয়। পুরোনো প্রজন্ম সমাজের ভিত গড়ে দেয় আর নতুন প্রজন্ম তার উন্নয়ন করে। তাহলে এই দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টি হল কেন? আসুন দেখি এর সম্ভাব্য কারনগুলো দেখে আসি।

১. মানসিকতা :
পুরোনো প্রজন্ম ও নতুন প্রজন্মের মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। আগের প্রজন্ম সব কিছু নিজেদের পর্যবেক্ষন ও আভিঙ্গতা দিয়ে যাচাই করে। কোন কাজ করার আগে প্রচুর চিন্তা-ভাবনা করতে হয় তাদের। কোন কারনে ব্যর্থ হলে তারা নিরাশ হয়ে পরে। ব্যর্থতার কারন খুঁজে পেতে চায় না। অন্যদিকে নতুন প্রজন্ম সব সময়ই তদের চারপাশ ও নিজস্ব পর্যবেক্ষনের উপর বিশ্বাসী। নিজেদের উপর বিশ্বাস ও আশপাশের অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নেয় তারা। তবে অভিঙ্গতা কম বলে প্রায়ই ব্যর্থ হয়। তবে তারা এই ব্যর্থতাকে সব সময়ই চ্যালেন্জ হিসেবে নেয়।

২. প্রযুক্তিগত বাধা :
প্রযুক্তিগত বাধা প্রজন্ম ব্যবধানের একটি মূল কারন। প্রতিনিয়তই প্রযুক্তির পরিবর্তন ঘটছে। আগের প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটছে অথবা নতুন কোন প্রযুক্তির সূচনা হচ্ছে। পুরোনোরা এইসব প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না। তারা যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভ্যস্ত তারা সে প্রযুক্তি নিয়ে থাকতে চান। “বৃদ্ধ বয়সে আর নতুন প্রযুক্তি শিখে লাভ কি?” বা “আমরা তো এইসব প্রযুক্তি ছাড়াই বড় হয়েছি। তাহলে এগুলোর আর দরকার কি? ” এইরকম মনোভাব কম-বেশি সব বড়দের মধ্যেই থাকে। কিন্তু প্রযুক্তি ছাড়া বর্তমান সময়ে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব। নতুন প্রজন্ম তাই প্রযুক্তির দিকে ভালোভাবেই ঝুকে পরেছে। পুরোনোকে বাদ দিয়ে নতুন প্রযুক্তিকে খুব দ্রুত গ্রহন করছে।

৩. নতুন কে গ্রহন করে নিতে না পারা:
পুরোনো প্রজন্ম নতুনকে সহজভাবে গ্রহন করে নিতে চায় না। নতুন নিয়ম বা পরিবর্তন প্রত্যাখ্যান করার একটা মানসিকতা কাজ করে। নতুন প্রজন্ম সমাজের কোন পরিবর্তন করতে চাইলে বড়রা তা সহজে মেনে নিতে পারে না।

৪. যোগাযোহীনতা:
প্রজন্ম ব্যবধানের অন্যতম মূল কারন দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগহীনতা। বড়দের পক্ষে সব সময় ছোটদের খবর রাখা সম্ভব হয় না। আবার ছোটরাও সব কথা বড়দের বলতে সাহস পায় না। বড়রা যত আপনই হোক না কেন কিছু কথা শুধু সমবয়সীদের সাথে শেয়ার করে থাকে। বড়দের সাথে শেয়ার করে না করন তারা বড়দের সাথে তেমন ফ্রী না। আরেকটা কারন হচ্ছে ছোটদের ধারনা থাকে তাদের কথা বড়রা শুনবে না। এভাবেই দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগ কমে যায়।

৫. ভুল বোঝাবুঝি :
নতুন প্রজন্মের মধ্যে আত্মবিশ্বাস একটু বেশিই থাকে। আর এ আত্মবিশ্বাসে জোরে তারা অনেক কিছুই করে ফেলতে চায়। সেটা ভালো কি মন্দ তা খুব একটা বিচার করে না। আগের প্রজন্ম বাঁধা দিলে “তারা নতুনত্ব সম্পর্কে কিছুই জানে না” এমন একটা মনোভাব নতুনদের মধ্যে কাজ করে। আবার আগের প্রজন্মের মধ্যে “এইসব ছেলেপেলে দুনিয়া সম্পর্কে আর কিই জানে ?” ধরনের মনোভাব কাজ করে। দু-পক্ষের এই ভুল বোঝাবুঝি প্রজন্ম ব্যবধানের একটি কারন।

প্রজন্ম ব্যবধান কমানোর সম্ভাব্য সমাধানগুলো হতে পারে :

১. দুই প্রজন্মের মানসিকতা পরিবর্তন করা :
নিজেদের মানসিকতা পরিবর্তন না করলে প্রজন্ম ব্যবধান কমানো সম্ভবপর হবে না। নতুন প্রজন্মের উচিত আগের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করা আর পুরাতন প্রজন্মের উচিত নতুন প্রজন্মকে বুঝতে শেখা এবং তাদের সঠিক পথ দেখানো।

২. এক প্রজন্মের সাথে অন্য প্রজন্মের ভুল বোঝাবুঝি এর আবসান ঘটানো :
নিজেদের মধ্যে ভূল ধারনা থাকলে ভুল বোঝাবুঝি হওয়া স্বাভাবিক। এই ভূল ধারনা দুর করতে পারলে আর ভুল বোঝাবুঝি হবে না। এতে দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যাবধান কমে আসবে।

৩. দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগহীনতা কমিয়ে আনা:
দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগহীনতা কমাতে না পারলে প্রজন্ম ব্যাবধান কমানো অসম্ভব। নিজেদের সমস্যা সম্পর্কে আলাপ আলোচনা করলে দুই প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো যাবে। সন্তানরা যদি বাবা-মার সাথে ফ্রী থাকে তাহলে প্রজন্ম ব্যাবধান হ্রাস পাবে।

৪. বর্তমানের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শেখা :
পুরাতন প্রজন্মের উচিত বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টা করা। যদিও এটা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য তবুও প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা থাকা দরকার।

সবশেষে প্রজন্ম ব্যবধান নিয়ে একটি গল্প :
প্রজন্ম ব্যাবধান নিয়ে বিতর্ক করার জন্য নতুন ও পুরাতন দুই প্রজন্মের দুটি দলকে ডাকা হল। বিতর্ক শুরু হল। বিতর্কের এক পর্যায়ে নতুন প্রজন্মের একজন বলল ” পুরাতান প্রজন্ম নতুন প্রজন্মকে বুঝতে পারে না। কারন তারা এক সময়ে বড় হয়েছে আর আমরা এক সময়ে বড় হয়েছি। নতুন প্রজন্ম বড় হচ্ছে টেলিভিশন দেখে, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটে ব্যবহার করে। প্লেনে করে দেশ-বিদেশ পাড়ি দিচ্ছে। এমনকি রকেটে করে মহাকাশেও যাচ্ছে। অথচ পুরাতন প্রজন্ম এসবের কিছুই দেখে নি। তাই তাদের পক্ষে নতুন প্রজন্মকে বোঝা কষ্টকর। কিছুক্ষন চুপ থেকে পুরাতন প্রজন্মের একজন বলল ” তোমরা বড় হচ্ছ টেলিভিশন দেখে, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে, দেশ-বিদেশ ঘোরার জন্য প্লেন পাচ্ছ, রকেট পাচ্ছ মহাকাশে যাওয়ার জন্য। এটা সত্য কথা যে আমরা এসবের কিছুই পাই নি। আমাদের সময়ে এগুলো ছিল না বলেই আমরা এগুলো আবিষ্কার করেছি যাতে তোমরা এগুলোর সুবিধা ভোগ করতে পার। আজ তোমরা যা নিয়ে গর্ব করছ তাতো আমাদেরই তৈরী করা। আমরা তোমাদের জন্য এগুলো তৈরী করেছি, তোমরা তোমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কি করেছ? ” নতুন প্রজন্মের কেউ কোন উত্তর দেয় নি।

বি.দ্র.: এই পোষ্ট টির যাবতীয় অংশ (গল্প বাদে ) লেখকের নিজস্ব মতামত। একমত হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্নই নিজের ব্যাপার


%d bloggers like this: